সখের নদীটা ছিল জানালায়
তোলায়
কাঁচ থেকে কাঁচ নীল
নদীটায়
ভাসতে ভাসতে নেপোলিয়ারের
ঘরে
সেখানে কে আছে ?
একটা ঘোড়ার নখ, একটা মোহনার চর
এবং একটা রক্তিম পাত্র
হয়ত কেউ লুকিয়ে রেখেছে
মৃতনদীর বিছানায়
এক বছর পরে আবার ফিরে
আসা হল
জ্যান্ত কুয়াশার বাতাসের
ঘরে ঘরে
নীরব! নীরব শান্তি
তুমি বন্দী থাকো হেলেনের
বুকে ...
শাঁকপুকুরের গল্প আর
বিমাতার চোখ জলজল
অনেকদিন পরে পিজি হসপিটালের শুনলাম
সেখান থেকে তালচুরি
গান চুরি, শৈশব চুরি এইগুলো হতে থাকে
আমার নদী ছিল চুরি করা
জলের মত
হারিয়ে যাচ্ছে ত যাচ্ছে –
আঁকাবাঁকা পথিকের
রাস্তায় রক্তের দাগ
চিরন্তন মুখ থেকে চোখ
তাকিয়ে থাকে গাছের দিকে
যে গাছ অনেক বছর পিতা
হয়ে আছে...
আমি ত একা নয় – সামনে বিস্তর আকাশ ঘেরা আকাশ আছে
ফুল আছে । আর আছে অশ্রু
।
যাকে কাউকে দেবার নয়। আর
নেবার নয়
কেবল অনুভূতি করে যাওয়া।
চুরি যাওয়ার স্লেট আর
ঘড়ির বন্ধুপ্রীতি।
valo kabita lekhen
উত্তরমুছুন